প্রসঙ্গঃ ফেসবুক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিচরণে করণীয়
পৃথিবীর বুকে এই সময়ের সবথেকে দৈত্যাকৃতির জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। এই ধরাধামের প্রায় অর্ধেক মানুষেরই এখানে কমবেশি আইডি আছে। এ মাধ্যম আমাদের দুরের মানুষকে করেছে আপন, বহুদিনের পুরনো বন্ধুর সাথে আবার যোগাযোগ, ভালবাসা-অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা কী না উপকার করেছে। জনমত গঠনেও ব্যপক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এখনকার সময়ের ব্যবসা-বাণিজ্য যেন ফেসবুকীয় ছোঁয়া ছাড়া প্রচার বিহীন। এতকিছু সত্ত্বেও ফেসবুকের যে কোন নেতিবাচক দিক নেই তা নয়। তবে সবকিছু নিয়েই ভার্চুয়াল জগৎ। ফেসবুক ভার্চুয়াল বিষয় হলেও কখনো তা যেন জীবন্ত, ব্যক্তির বাস্তবিক জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিত্ত্বের প্রকাশক। তাই এই ভার্চুয়াল জগতটাতে বিচরণ করতে কিছু নীতি এবং কার্যক্রম মেনে চলা দরকার।
ফেসবুকে আমরা যখন বিচরণ করি , কিছু জিনিস আমাদের মাথায় রেখে চলা উচিৎ।
বন্ধু হতে গেলে (Friend Request sending and accepting):
১. যাকে বন্ধু বানাতে চান আগে তার প্রোফাইল ঘুরে আসুন। আপনার বাস্তব জীবনের বন্ধুকে প্রাধান্য দিন।
২. অপরিচিত হলে প্রোফাইল দেখে আপনার রুচিবোধের সাথে মিলে কিনা নজর বুলিয়ে নিন।
৩. প্রোফাইলের টাইম লাইনে কার্যক্রম দেখুন। কোন ধরনের পোস্ট বেশি দেখা যায় সেটা বুঝে চলুন।
৪. জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসী ও মাদকের সাথে কোন ধরনের সম্পৃক্ততা দেখলে এড়িয়ে চলাই ভাল।
৫। ছেলেরা মেয়েদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর আগে একটু ভেবে নিবেন। যদি খুব বেশি অপরিচিত হন কিংবা আপনার রুচির সাথে না মেলে তাহলে একটু থামুন। রিপোর্ট কিংবা ব্লক হবার ব্যাপারটা মাথায় রাখুন।
৬। একসাথে অনেক মানুষকে রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না। তাতে রিপোর্টের ভারে আপনার আইডি জুকারবার্গ সাহেব ব্ল্যাক লিস্টেড করতে পারেন। কিছুদিনের জন্য রিকোয়েস্ট পাঠানো বন্ধ করে দেয়া হতে পারে।
৭। “Do you know the person personally?”- কাউকে রিকোয়েস্ট পাঠানোর পরে এই ধরনের মেসেজ দেখলে, রিকোয়েস্ট বাতিল করাই শ্রেয়। কারণ এটা ফেসবুকে নেতিবাচিক হিসেবেই ধরা হয়।
৮। অনেক সময় নামের বাহারে জেন্ডার বোঝা যায়না। আবার ছবি দেখে নারী নাকি পুরুষ তাও বোঝা যায়না। সেক্ষেত্রে একটা চিকন বুদ্ধি, টাইমলাইন সার্ফ করুন, যেই পোস্টে প্রোফাইল পিকচার চেঞ্জ করা হয়েছে সেখানে দেখবেন “অমুক has changed his/her profile picture” ব্যস his হলে পুরুষ আর her হলে নারী।
ফেক আইডি যেভাবে বুঝবেন (Fake ID Identification)
১। সুন্দর মুখ দেখেই কোন আইডির প্রতি আকৃষ্ট হবেন না। ফেক আইডিগুলো সাধারণত সুন্দর মুখের ছবি দিয়েই সাজানো হয়।
২। ফেইক আইডিতে একজনের ছবি থাকেনা। ভিন্ন ভিন্ন প্রোফাল পিকচারে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ছবি থাকে।
৩। ফেইক আইডির পোস্টগুলো অনেকক্ষেত্রেই লুতুপুতু মার্কা হয়ে থাকে।
৪। যার ফেসবুক আইডি আছে তার বাস্তব জীবনের ফ্রেন্ড অবশ্যই ফেসবুকে আছে, তবে ফেইক আইডিতে থাকেনা। পোস্টগুলোর কমেন্ট পড়ে দেখেন, যদি তুই সম্বোধঅন করে কোন কমেন্ট না পান, সবই যদি নাইচ, বিউটিফুল টাইপ কমেন্ট পান, যা বোঝার বুঝ নিবেন।
৫। ফেইক আইডির ইন্ট্রো (Intro) তে সাধারণত কিছু লেখা থাকেনা, যদিও থাকে তা অনেক ক্ষেত্রেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন, মেয়ের আইডিতে দেখবেন ঢাকা কলেজ থেকে পাশ করা, অথবা University বাণানে Univarsity বা Versity, এমন।
৬। আইডির নামের ধরণ এবং বাণানের দিকে খেয়াল রাখবেন।
পোস্টে প্রতিক্রিয়া (Like & Comment):
১। কোন পোস্টে লাইক দেবার আগে সর্বপ্রথম দেখে নিন, ব্যক্তিটি সিনিয়র, জুনিয়র নাকি সমবয়সী বন্ধু।
২। আগে শুধু লাইক অপশন থাকলেও এখন ফেসবুকে বেশ কয়েকটি ইমো যুক্ত হয়েছে, সুতরাং এগুলোর ব্যবহারে সতর্ক হোন।
৩। হাহা- অট্টহাসির রিয়েক্ট বন্ধুদের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করুন।
৪। বুঝে নিন কোন পোস্ট কৌতুক করে লেখা, সেটাতেই কেবল হাসির রিয়েক্ট দিন।
৫। কারো মৃত্যুসংবাদ, দুর্ঘটনা কিংবা অসুখের খবর হলে অবশ্যই স্যড (Sad) রিয়েক্ট দিন। বন্ধু বলে আবার তাতে হাসির রিয়েক্ট দিয়ে বসবেন না।
৬। কমেন্টের ক্ষেত্রে বড়-ছোট মেনে চলুন। যার যতটুকু সম্মান প্রাপ্য, প্রদান করুন।
৭। কমেন্ট যেহেতু পাবলিক, সুতরাং সম্বোধন এবং ভাষাশৈলির বিষয়টি মাথায় রাখুন। আপনার ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটান।
৮। কারো কমেন্টে রিপ্লাই দিতে হলে শুধু সেই কমেন্টের রিপ্লাই অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখুন।
৯। কারো নাম মেনশন করতে হলে সাবধানতা অবলম্বন করুন, যাকে মেনশন করতে চান আসলেই তাকে মেনশন করা হল কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।
১০। কোন সেলিব্রিটির লেখায় কমেন্ট করতে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিন, সেখানে হৃদয়গ্রাহী কোন কমেন্ট লিখতে পারলে আপনার ওপর সুনজর পড়তে পারে।
১১। বুদ্ধিবৃত্তিক কিংবা কোন প্রবন্ধ টাইপের লেখাতে না বুঝে কমেন্ট না করাই শ্রেয়, এতে নিজের দুর্বলতা যেমন প্রকাশ পায় তেমনি লেখকও বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখীন হন।
১২। কমেন্ট মূলত আপনার পারিবারিক আদর্শ, মুল্যবোধ এবং ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। সুতরাং কারো লেখা বা অন্যের কমেন্টের সমালোচনা বা বিরোধিতা করতে হলে গঠনমূলক পন্থা বেছে নিন। এমনভাবে লিখবেন যাতে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি মর্মাহত না হন।
১৩। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমনাত্মক কোন বাক্য কেন, শব্দও কখনো লেখা উচিৎ নয়। কমেন্টে গালিগালাজ করাটা নিম্নশ্রেণির মনমানসিকতার পরিচয় বহন করে।
১৪। কোন গ্রুপ বা পেজে মন্তব্য করতে হলে পোস্টদাতা সিনিয়র নাকি জুনিয়র আগে দেখে নিন, তারপরে কমেন্ট করুন। অযথা কাদা ছোড়াছুড়ি করবেন না।
১৫। ধর্মীয় কিংবা সামাজিক উম্মাদনা সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন উস্কানিমূলক কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
১৬। আপনার বন্ধু কিংবা পরিচিত কারো পোস্টে ব্যক্তিগত কোন ইস্যু টেনে আনবেন না। কমেন্টে পোস্ট সম্পর্কিত বিষয়ে লিখুন। “কেমন আছ?, খেয়েছ কিনা?, আপনার ফোন নম্বরটা পেতে পারি?” এ ধরণের কিছু লিখবেন না।
১৭। কারো ছবিতে বিশেষত মেয়েদের ছবিতে এমন কোন ছবি দেয়া/ইমো দেয়া/মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন যাতে ছবি পোস্টকারী লজ্জা পান।
অনুভুতি প্রকাশ (Post & Share)
১। কি লিখতে চান আগে তাই ঠিক করুন।
২। কোন গ্রুপের অর্থাৎ কোন ধরণের লোকের কাছে লেখা পৌছাতে চান তা নির্ধারণ করুন। যদি শুধু বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা রাখতে চান তাহলে আলাদা তালিকা করে পোস্ট করুন।
৩। ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে কন্টেন্ট মাথায় রাখুন। আপনার ছবি কতটুকু ভদ্র, শালীন চিন্তা করেই তবে পোস্ট করুন।
৪। অনেক সময়েই দেখা যায় একটা পোস্টে ৪০-৫০ জনকে অহেতুক ট্যাগ করা হয়। এটা ঠিক না। ট্যাগিং অপশনটা বুঝেশুঝে ব্যবহার করুন।
৫। গ্রুপভিত্তিক ছবি হলে ছবিতে যারা থাকে তাদেরকেই শুধু ট্যাগ করুন অথবা যাকে সেখানে মিস করছেন তাকেই মেনশন করুন। শুধুশুধু অন্যের ভোগান্তি বাড়াবেন কেন!!
৬। কারো লেখা যেকোনো সময়ে ভাল লাগতেই পারে, সেক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে পারেন।
৭। লেখা কপি করা অভদ্রতা, আর একান্ত করলেই, লেখকের অনুমতি নিন এবং কার্টেসিতে লেখককে মেনশন করে সম্মান দেখান।
৮। ধর্মীয় বা সামাজিক উম্মাদনা সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন পোস্ট দেবেন না, ফেসবুকের জন্য আরব বসন্ত হয়েছে। আপনার পোস্টে গ্রীষ্মের ঝড় তো হতেই পারে।
৯। জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসী কিংবা মাদকের মত বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডি কোনভাবেই জড়াবেন না। এতে দুই দিক থেকেই সমস্যা:
ক. আপনার কৌতূহলী মন আপনাকে ওইদিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে যা ব্যক্তির জন্য বিধ্বংসী।
খ. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহের নজরদারীতে পরে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন।
১০। ভয়ংকরী কোন ছবি বা ভিডিও ক্লিপ পোস্ট বা শেয়ার না করাই ভাল। কারণ অনেকের জন্য এগুলো মানসিক পীড়াদায়ক।
১১। নিকটাত্মীয় হলেও যুগল ছবি হলে ক্যাপশনে সঙ্গী/সঙ্গীনীর সাথে পোস্ট দাতার সম্পর্ক উল্লেখ করে দিন, তা না হলে বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখীন হতে পারেন।
১২। কোন গুরুত্বপূর্ণ নিউজ লিঙ্ক শেয়ার করতে সোর্স বা উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। ভুয়া প্যানিক ছড়াবেন না।
১৩। ফেসবুকে নতুন ফিচার হচ্ছে ‘ফেসবুক লাইভ’। লাইভে কোন জিনিস প্রদর্শন করবেন, সেটার জন্য আপনার বিবেক ব্যবহার করুন।
বার্তা আদান-প্রদান (Messenger)
১। মেসেঞ্জার হচ্ছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির অন্তঃযোগাযোগ মাধ্যম। খুব গোপনীয় জিনিস। সুতরাং ব্যবহারে প্রথমেই সতর্ক হোন।
২। কাউকে হাই/হ্যালো লিখে বারবার মেসেজ দিবেন না। এতে আপনার ব্যক্তিত্বের অভাববোধ প্রকাশ করে।
৩। অযথা কাউকে ছবি বা ভিডিও পাঠাবেন না। উদ্দিষ্ট ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার বিরক্তি আসতে পারে।
৪। স্ক্রিনশটের এই যুগে বিপরীত জেন্ডারের কাউকে অশ্লীল কোন বার্তা, ছবি কিংবা ভিডিও পাঠানোর আগে অন্তত দশবার ভাবুন।
৫। ছোট-বড় যেই হোক, আপনার অতি পরিচিত না হলে, ‘আপনি’ সম্বোধন করুন। সম্পর্কোন্নয়ন হলে না হয়, ‘তুই’ ‘তুমি’ বলা যাবে।
৬। মেসেঞ্জারে ভয়েস কল ফ্রি বলে, যাচ্ছেতাই ব্যবহার করবেন না। অপরিচিত হলে আগে মেসেজ আদানপ্রদান করুন, তারপরেই না হয় কথা বলুন।
৭। হুট করেই কাউকে ভিডিও কল দিয়ে বসবেন না, এটা অনেক সময়েই বিব্রতকর। ভিডিও কল করতে হলে আগে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিন।
নিরাপত্তা ও নিরাপদ বিচরণ (Security & Safety)
১। ফেসবুকের আইডির তথ্য এবং পাসওয়ার্ড কারো কাছে হস্তান্তর করবেন না। যদি মনে হয় কেউ দেখে ফেলেছে, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন।
২। ফেসবুকের পাসওয়ার্ড একটু কঠিন করে দেয়া ভাল। খুব সহজ যেমন- ‘১২৩৪৫৬’, যেন না হয়। পাসওয়ার্ডের মধ্য ‘#’ অথবা ‘*’ ব্যবহার করুন, আইডি সুরক্ষিত থাকবে আশা করি।
৩। থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন, আপনার ভবিষৎবাণীসহ যে সকল লোভনীয় সব জিনিস জানতে-দেখতে প্রলুব্ধ করা হয়, এগুলো এড়িয়ে চলুন। এতে হ্যাকিং হতে পারে।
৪। কেউ যেন হ্যারাসিং বা বিব্রতকর বিষয়ে আপনাকে যুক্ত করতে না পারে সেজন্য, ট্যাগিং ফিল্টার অপশন চালু করুন। বন্ধুদের পোস্ট ওয়ালে এড করুন আর শত্রুদের পোস্ট ওয়ালে আসার আগেই ট্যাগ রিমুভ করুন।
৫। নিজের ফোন নম্বর যুক্ত করে ফেসবুকে থার্ড পার্টি অথিনটিকেশন (Third Party Authentication) অপশন আছে চালু করুন। নতুন কোন ডিভাইসে আপনার আইডি লগ ইন করতে গেলেই আপনার কাছে। মেসেজ চলে আসবে।
৬। ই-মেইলের আইডি-পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করাটাও জরুরী। কারণ কোন ভাবে যদি ফেসবুক আইডি হ্যাকড হয়ে যায়, উদ্ধারের ক্ষেত্রে ই-মেইলের তথ্য মনে রাখা জরুরী।
৭। সেলফোনের নম্বর দিয়ে খোলা ফেসবুকের আইডি তুলনামূলক সহজে হ্যাকড হয়ে থাকে। তাই ফোন নম্বর নয়, ই-মেইল আইডি দিয়ে ফেসবুক আইডি ওপেন করুন।
৮। কোথাও কোন ডিভাইসে লগ- ইন করলে অবশ্যই লগ-আউট করতে ভুলবেন না। তারপরেও কোথাও ভুলবশত লগ-ইন করে রেখে আসলে, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন আর লগ-আউট ফ্রম অল সেশন দিয়ে দিন। ওই ডিভাইস থেকে তথ্য মুছে যাবে।
৯। অশ্লীলতা, বিভৎষতা, বর্ণবাদ, ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন পোস্ট করবেন না। এতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার আইডি ব্যান করতে পারে।
১০। প্রোফাইল পিকচারে নিজের মার্জিত ছবি ব্যবহার করুন। আইডি অতিরিক্ত রিপোর্ট হলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিতে পারে।
[ফিচারটি সামাজিক যোগাযোগের সবকিছু হয়ত আওতাভূক্ত করতে পারেনি। আমি টেকনিক্যাল বিষয়ে খুব পারদর্শী নই তাই সেদিকে খুব বেশি জোর দেয়াও সম্ভব হয়নি। তবে, যতটুকু আওতাভূক্ত করতে পেরেছি, ফেসবুক ব্যবহারকারীগণ যদি এ থেকে কিছুটাও উপকৃত হন, তাহলে আমার লেখা সার্থক বলেই ধরে নেব।]

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন